🎯 প্রধান কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালের আগস্টে ভারতীয় পণ্যের উপর ২৫% শুল্ক আরোপ করলে ভারতের এক্সপোর্ট ব্যবসায় ব্যাপক প্রভাব পড়বে—বিশেষ করে রত্ন, সামুদ্রিক খাবার, অটোমোটিভ যন্ত্রাংশে ।
যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ‘বাণিজ্য ঘনিষ্ঠ’ বললেও, **ভারতের ২০২৪ সালে US-এর সঙ্গে ব্যবসায় বড় ঘাটতি—প্রায় ৪৬ বিলিয়ন USD–এর বেশি (সার্ভিস ও মালামাল)** ।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক চাপ থেকে রক্ষা পেতে, ভারত বিকল্প উৎস থেকে আমদানি নির্ভরতা কমাতে চায়।
📌 কী ধাপে পরিকল্পিত হচ্ছে পরিবর্তন
১. জ্বালানিতে উৎস বিস্তৃত করা
২০২৬ সাল থেকে ভারতের প্রায় ১০% এলপিজি আমদানি আসবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে, যা মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরতা হ্রাস করবে ।
গোটা জ্বালানি খাতে আমদানি উৎস বড় করায় মূল্য স্থিতিশীল করা এবং জীবনযাত্রার খরচ কমানো সম্ভব হবে ।
২. প্রযুক্তি ও ভূতাত্ত্বিক পণ্য—গবেষণা ও বিকল্প
এনার্জি স্টোরেজ ও Renewable খাতে ওষুধ, প্রযুক্তি সরঞ্জামে আমদানি উৎস বণ্টনে জোর দেওয়া হচ্ছে—নিজস্ব গবেষণা ও উন্নয়নে দৃষ্টি দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে ।
৩. ট্রেড বেলান্স কমাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো আমদানি
US‑করোনা অতিরিক্ত শুল্কের ফর্মুলা অনুযায়ী—যখন একটা দেশের মার্কিন বাণিজ্যে ট্রেড সুপারাস বেশি, তখন সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক বাড়ে। তাই ভারত ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী ₹১০–১৫ বিলিয়ন USD যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়ে ট্রেড ঘাটতি সংকুচিত করতে চায় ।
এর ফলে আন্তর্জাতিক চাপ ও অতিরিক্ত শুল্ক কমানো যাবে।
৪. FTA ও বৈশ্বিক বাজারে বিকল্প কানেকশন
ভারত বিশ্ব, AFSER এবং ইউরোপ-মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকার সঙ্গে নতুন FTA ও সহযোগিতা বাড়াতে চায়, যেমন SCRI(India–Japan–Australia Supply Chain Resilience Initiative)—চীন পাশাপাশি ভিন্ন উৎসের ওপর নির্ভরতা হ্রাসে ।

0 Comments